ষষ্ঠ কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে ৭৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। বাছাইয়ে ৩০ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সভাপতি পদে ১৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩০জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করে খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে যাচাই-বাছাই কমিটি। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে স্কাইপিতে বৈঠক করে এই খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। তার স্বাক্ষরিত বৈধপ্রার্থী তালিকায় সভাপতি পদে ১৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩০ জন রয়েছেন।

সভাপতি পদে বৈধ প্রার্থী যারা-

মোঃ মামুন খান, এস এম সাজিদ হাসান বাবু, হাফিজুর রহমান, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, আশরাফুল আলম ফকির, মোঃ ফজলুর রহমান খোকন, মোঃ আব্দুল মাজেদ, মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, রিয়াদ মোহাম্মদ তানভীর রেজা রুবেল, মোহাম্মদ এরশাদ খান, মোঃ সুরুজ ম-ল, মোহাম্মদ শামীম হোসেন, সুলাইমান হোসেন, মোহাম্মদ ইলিয়াছ ও এবিএম মাহমুদ আলম সরদার।

সাধারণ সম্পাদক পদে বৈধ প্রার্থী যারা-

মোঃ আমিনুর রহমান আমিন, মোহাম্মদ হাসান (তাঞ্জিল হাসান), মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল খান, মোহাম্মদ জুয়েল হাওলাদার (সাইফ মাহমুদ জুয়েল), মোহাম্মদ করিমুল হাই (নাঈম), মোস্তাফিজুর রহমান, শেখ আবু তাহের, শাহ নেওয়াজ, মোঃ জাকিরুল ইসলাম জাকির, মাজেদুল ইসলাম, মো. আলাউদ্দিন খান, ডালিয়া রহমান, মো. মিজানুর রহমান সজীব, নাজমুল হক হাবিব, ওমর ফারুক শাকিল চৌধুরী, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন রাজু, মুন্সি আনিসুর রহমান, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন শ্যামল, মোঃ মিজানুর রহমান শরীফ, মোহাম্মদ আরিফুল হক, রিয়াদ মো. ইকবাল হোসাইন, মোহাম্মদ আজিজুল হক সোহেল, মো. মশিউর রহমান রনি, আব্দুল মোমেন মিয়া, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মোঃ আবুল বাশার, মোঃ আসাদুজ্জামান রিঙ্কু, সোহেল রানা, কাজী মাজহারুল ইসলাম ও এ এ এম ইয়াহ ইয়া।

বাছাই কমিটির প্রধান ফজলুল হক মিলন বলেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমরা ৪৫ জন প্রার্থীকে বৈধ প্রার্থী বলে ঘোষণা করেছি। এর আগে গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নিতে ১১০ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। পরে নির্বাচনে অংশ নিতে ৭৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় স্থান পাওয়া প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

খসড়া তালিকায় স্থান পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে কোন আপত্তি থাকলে অভিযোগ করা যাবে ২৮ আগস্ট, প্রার্থীদের বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি করা হবে ২৯ ও ৩০ আগস্ট, প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার পর কেউ সরে যেতে চাইলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৩১ আগস্ট, এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ সেপ্টেম্বর।