কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে হয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি। এক বিবৃতিতে ওআইসি জানায়, এই মর্যাদা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তবে সম্প্রতি ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার তা বাতিল করেছে।

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর ভারত সরকার বিষয়টিকে তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে যে দাবি করে আসছিল ওআইসির বিবৃতি তাকে অস্বীকার করল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহাসচিবের কার্যালয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবের প্রতি নতুন করে সমর্থন ব্যক্ত করেছে এবং কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের জন্য জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি ওআইসি কাশ্মীরের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।

একইসঙ্গে কাশ্মীরে ভারত সরকার যে কারফিউ জারি করেছে তা দ্রুত প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে ওআইসির বিবৃতিতে। কাশ্মীর সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে সংলাপ শুরু হওয়া দরকার বলেও আইসি মন্তব্য করেছে।

চীনা সৈন্য হঠাৎ ভারত সীমান্তে
চীন-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন তিব্বত অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সংখ্যা বাড়াচ্ছে বেইজিং। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে চীনা সেনাদের ঘন ঘন সামরিক মহড়া চালানো দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, তিব্বতের রাজধানী লাসার গোংগার বিমানবন্দরের পরিধি বাড়ানোর তৎপরতা চলছে। বেসামরিক বিমান চলাচলের পাশাপাশি এ বিমানবন্দরকে সামরিক তৎপরতার উপযোগী করা হচ্ছে।

অবশ্য, তিব্বতের সব বিমানবন্দরই সামরিক এবং বেসামরিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী বলে ভারতীয় প্রচারমাধ্যম দাবি করছে। চীনে এ ধরণের ৬০টি বিমানবন্দর আছে।তিব্বত অঞ্চলে বিমান তৎপরতা চীন জোরদার করেছে বলে এর আগে ভারতীয় কোনও কোনও সংবাদ মাধ্যম দাবি করেছিল।

ডোকলাম সংকটের সময় চীনের শিগাতেস বিমানবন্দরে একটি বিমান ক্ষেত্র যোগ করা হয়েছিল। পরে সেখানে যুদ্ধবিমান এবং চালকহীন বিমান বা ড্রোন বহর দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।পাশাপাশি, তিব্বতের চীনা গণমুক্তি ফৌজ বা পিএলএ’র সরবরাহ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। সরবরাহের জন্য স্বয়ংক্রিয় ত্রিমুখী ব্যবস্থা করা হয়েছে ফলে এ ব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।