ক্যাসিনো সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের কোনো কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে নেই বলেই এসব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকারই। তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে। দুর্নীতি দেশে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে, সর্বত্রই দুর্নীতি।

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জোর গলায় কথা বলতো, তাদের স্বর এখন কমে এসেছে দুর্নীতির কারণে, গলাবাজি না করে পদত্যাগ করে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণকে স্বস্তি দেয়ার আহ্বান জানান বিএনপির এ নেতা।

তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগের থেকে খুব বেশি অসুস্থ। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়েই জেনেশুনে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে জামিন দিচ্ছেন না। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবি করেন এবং তা জামিনের মাধ্যমেই হতে হবে বলে জানান মির্জা ফখরুল।

এসময় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় শহরে জনসভা করার কথা জানিয়ে বলেন, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিলেটে ও ২৬ তারিখ রাজশাহী ও ২৯ তারিখ ময়মনসিংহে সমাবেশ হবে করা হবে।

ক্ষমা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গোলাম রাব্বানীর স্ট্যাটাস
সদ্য বরখাস্ত হওয়া ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত। ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীর আশা পূরণ করতে না পারায় সংগঠনটির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান রাব্বানী। পোস্টে নিজের ভুলত্রুটির জন্য অনুতপ্ত বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া গোলাম রাব্বানীর স্ট্যাটাসটি সময়নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- ‘মমতাময়ী নেত্রী, আপনার মনে কষ্ট দিয়েছি, আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী। প্রিয় অগ্রজ ও অনুজ, আপনাদের প্রত্যাশাপ্রাপ্তির পুরো মেইলবন্ধন ঘটাতে পারিনি বলে আপনাদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী।

মানুষমাত্রই ভুল হয়। আমিও ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। তবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে আবেগ-ভালোবাসার এ প্রাণের সংগঠনের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী ‘গর্হিত কোনো অপরাধ’ করিনি। আনিত অভিযোগের কতটা ষড়যন্ত্রমূলক আর অতিরঞ্জিত, সময় ঠিক বলে দেবে।

প্রাণপ্রিয় আপা, আপনি আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবের সুযোগ্য তনায়া, ১৮ কোটি মানুষের আশার বাতিঘর। আপনার দিগন্ত বিস্তৃত স্নেহের আঁচল, এক কোণে যেন ঠাঁই পাই। আপনার ক্ষমা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাকিটা জীবন চলতে চাই।’