সম্প্রতি জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে ইমরান খান বলেছিলেন, ‘মনে করে নিচ্ছি, আমি কাশ্মীরের জেলে রয়েছি। শুনছি ভারতীয় সেনারা বাড়িতে হানা দিচ্ছে, ধর্ষণ করছে। আমি কি সেটা মানতে পারতাম? আমি বন্দুক তুলে নিতাম।’




এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘ভারত সরকার কাশ্মীরিদের সে দিকেই নিয়ে যাচ্ছে আর আমাদের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে।… ইসলাম নয়, ন্যায়বিচার বঞ্চিত করা এবং নিপীড়নের কারণেই জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়।’




এ সময় পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কার কথা জানিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথাগত যুদ্ধ শুরু হলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। যখন দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ পরস্পরের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়, তখন ফলাফল সীমান্তেই আটকে থাকে না। এখন এটা জাতিসংঘের কাছে পরীক্ষা, তারা কী চাইছে।’




এ নিয়ে আজ ২৯ সেপ্টেম্বর রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইমরান খানের সেই বক্তব্যসহ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তার সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-




‘জাতিসংঘে ইমরানের অবিস্বরণীয় ভাষন শুনলাম। শুনে অভিভূত হলাম। কেবলমাত্র প্রখর আত্নসম্মানবোধ, নিঁখাদ দেশপ্রেম আর সৎসাহস থাকলেই এমন বক্তব্য দেয়া সম্ভব।




‘আমাদের লীডারদের মধ্যে এসবের অভাব আছে। না হলে ইমরানের মতো বুকের পাটা আমাদের নেই কেন? রোহিঙ্গা, কাটাতারের বেড়া, সীমান্তে হত্যা, পশ্চিমাদের অফ-শোর ব্যাংক, আর ইসলাম ফোবিয়ার রাজনীতি নিয়ে আমরা কেন কথা বলতে পারিনা?’




‘ইমরান তার ভাষনে শুধু মোদী, আর পশ্চিমাদের না, তথাকথিত মুসলিম নেতাদের মুখোশও উন্মোচন করেছেন। জানিনা এতো সত্য কথা বলে কতোদিন টিকে থাকতে পারবেন তিনি। কিন্তু যা বলেছেন আপাতত তা যথেষ্ট। ধন্যবাদ ইমরান খান!’