আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ সালামি বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে ইসরায়েল সামান্যতম ভুল করলে এটিই হবে তার সর্বশেষ ভুল। এরপর দখলদার এ অবৈধ রাষ্ট্রটি বিশ্বের মানচিত্র থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে।




বুধবার রাজধানী তেহরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর হাজার হাজার কমান্ডার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে সেখানে জেনারেল সালামি বলেন, বর্তমানে ইসলামি বিপ্লবের যোগাযোগের লাইন হাজার হাজার কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।




তিনি বলেন, জুলুম, ন্যায়বিচার এবং আধ্যাত্মিকতার বাণী স্থানান্তর করার মাধ্যমে এ অঞ্চলে আমেরিকাকে একঘরে করে ফেলা হয়েছে।সালামি বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও সামর্থ ব্যবহার করে বিপ্লবী বাহিনীকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শক্তিশালী করা হচ্ছে।




মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব ও তার মিত্রদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বৈরী সম্পর্ক চলছে। এর মাঝেই সম্প্রতি সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে ইয়েমেনি হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ ড্রোন হামলা কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।




হুথিরা সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার দায় স্বীকার করলেও ইরানকেই দায়ী করছে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরান এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। পার্সট্যুডে।




‘ফিলিস্তিনি জবরদখল করে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল’
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ সালামি বলেছেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জবরদখল করে অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ইসরায়েল ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আইআরজিসি’র কমান্ডারদের ২৩তম জাতীয় সমাবেশের অবকাশে সোমবার প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জেনারেল সালামি এ মন্তব্য করেন।




মোহাম্মাদ সালামি বলেন, শুরু থেকেই একটি নির্ভরযোগ্য ও আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল। এটির যেমন কোনও নিজস্ব ভূখণ্ড নেই তেমনি নেই কোনও জনগোষ্ঠী। সারাবিশ্ব থেকে লোকজনকে ধরে এনে তাদের জন্য অবৈধ বসতি স্থাপন করে এই অবৈধ রাষ্ট্রকে কৃত্রিমভাবে টিকিয়ে রাখা হয়েছে।




আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার আরও বলেন, বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশ ইসরায়েলের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি।জেনারেল সালামি বলেন, ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে এমন অনেক শত্রু গড়ে তুলেছে যারা সবাই বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে এটিকে মুছে ফেলতে চায় এবং তা একদিন ঘটবেই।




অভ্যন্তরীণ সমস্যার পাশাপাশি এটির বহুমুখী অপকর্মের কারণে গোটা মুসলিম বিশ্ব ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং তেল আবিবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য বহু সশস্ত্র আন্দোলন ও বেশ কিছু বৃহৎ সেনাবাহিনী তৈরি হয়ে গেছে। এই সবকিছুর সমষ্টি ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।