কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে গড়া রোহিঙ্গা অ’পহর’ণকারী ও ডাকাত আবদুল হাকিমসহ অপ’রাধীদের আস্তানা শনাক্ত করতে ড্রোন ব্যবহার করেছে র‌্যাব। অভিযানে শীঘ্রই হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব সূত্র।




আজ শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো বাহারছড়া টইংগ্যা পাহাড়সহ সংলগ্ন এলাকায় র‌্যাবের অভিযান পরিচালিত হয়। এতে রোহিঙ্গা স’ন্ত্রা’সীদের একটি অস্থায়ী ক্যাম্পের সন্ধান পেয়েছে র‌্যাব।




র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, রোহিঙ্গা স’ন্ত্রাসীরা ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছে। এছাড়া বিশাল পাহাড়ি এলাকায় তাদের খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। এ কারণে তাদের ধরতে আকাশপথে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আপাতত ড্রোন অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। তবে তাদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।




গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া টইংগ্যা পাহাড়সহ বেশ কয়েকটি দুর্গম পাহাড়ে ড্রোন নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণ অভিযানও চালায় র‌্যাব-১৫।ক্সক্লুসিভ ডেস্ক : শিনীল তিলওয়ানি। ২০১০ সালে ভারতের মুম্বাইয়ের নার্সি মনজি ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজে পড়ার সময় থেকেই ব্যবসা শুরু করেন তিনি। পরিবারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ভালো বেতনের চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করে আজ তিনি কোটিপতি।




আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইঞ্জিনিয়ার-এমবিএ বাবার ইচ্ছা ছিল মেয়ে বড় চাকরি করবে। মুম্বাইয়ের নামকরা এমবিএ কলেজে মেয়েকে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মেয়ের ইচ্ছা ছিল অন্য।




বিভিন্ন স্কিন কেয়ার এবং বিউটি কেয়ার প্রডাক্ট বিক্রি করতেন তিনি। ইচ্ছা ছিল, এটা নিয়েই এগোবেন জীবনে। কিন্তু বাবা-মা তার ব্যবসায় একটা বড় বাধা ছিলেন।এমবিএ পাশ করার পর ২০১৫ সালে আমদাবাদের অরবিন্দ লিমিটেডের একটি কাপড় উত্পাদনকারী কোম্পানিতে যোগ দেন তিনি। ভাল কাজের পুরস্কারস্বরূপ খুব তাড়াতাড়ি তিনি প্রমোশনও পেয়ে যান।




শিনীলের বাবা-মা তাকে নিয়ে ভীষণ গর্বিত ছিলেন। কিন্তু শিনীল একেবারেই কাজ নিয়ে খুশি ছিলেন না। তার বিউটি প্রোডাক্ট বিক্রির ব্যবসাও ডুবতে শুরু করেছিল তত দিনে।শিনীল ঠিক করে ফেলেন, চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি ব্যবসায় মন দেবেন। হাতে তার চার মাসের খরচ চালানোর মতো টাকা ছিল। কিন্তু বাবা-মা কিছুতেই তার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি।




বাবা-মার বিরুদ্ধে গিয়েই চাকরি ছেড়ে পুরোদমে তার পুরনো বিউটি প্রডাক্টের ব্যবসাই শুরু করেন শিনীল। প্রথম দিকে তার ব্যবসা একদমই ভাল যাচ্ছিল না।
ক্রমে শিনীলের পরিশ্রমে ব্যবসার প্রসার ঘটতে শুরু করে। মুম্বাইয়ের এক বিখ্যাত ধনি পরিবার তার প্রোডাক্টের নমুনা দেখতে আগ্রহী হয়। নমুনা ব্যবহার করে ভীষণ খুশি হয়ে শিনীলের থেকে অনেক প্রোডাক্ট কিনে নেন তারা।




এইভাবে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে তার প্রোডাক্টের সুখ্যাতি। এ রকম আরও ১০-১২টি পরিবার তার গ্রাহক হয়ে যায়। ভালই চলছিল ব্যবসা। কিন্তু এই ব্যবসা নিয়েও শিনীল অতটা খুশি ছিলেন না।




তার অন্য কিছু করার ইচ্ছা করছিল। মুম্বাই বিমানবন্দরে একটি আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টসের দোকান তার ভাগ্য বদলে দিল। ওই দোকানে একটি কাঠের হাতি ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করছিল দোকানকার।

এই একই হাতি শিনীল দেখেছিলেন তাঁর ব্যবসায় সহযোগী এক ব্যক্তির বাড়িতে। ওই ব্যক্তি শিনীলের প্রোডাক্টের জন্য প্যাকিং বাক্স বানাতেন। তিনি এ রকম হাতিও বানাতেন। প্রতি হাতির দাম নিতেন মাত্র ২২ টাকা।

ব্যবসায়িক বুদ্ধি বোধহয় একেই বলে। সঙ্গে সঙ্গে শিনীল তার ব্যবসার পরবর্তী ধাপটা চিনে ফেললেন। ওই ব্যক্তির কাছেই অর্ডার দিয়ে এ রকম ঘর সাজানোর নানা জিনিস তৈরি করিয়ে বিক্রি শুরু করেন।

২০১৬ সালে তার দোকান হাউস অফ আর্টিসনস্ খুলে ফেলেন। মাত্র ১২ হাজার টাকায় শুরু করা সেই ব্যবসা এই কয়েক বছরেই দুই কোটি টাকার ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।