একটা সময়ে অন্ধকার জগতেই ছিলেন গার্থ স্টিরাট। ছিলেন পর্নো তারকা। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারিং করছেন।নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ডের মধ্যে চলমান পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় খেলায় চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গার্থ স্টিরাট।৫১ বছর বয়সী নিউজিল্যান্ডের এ নাগরিক এর আগে নারীদের বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।




আম্পায়ারিংকে পেশা হিসেবে নেয়ার আগে বেশ কিছুদিন পর্নো তারকা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তবে সেটা এতদিন গোপন ছিল। সম্প্রতি গার্থের আগের পেশার কথা জানাজানি হয়ে যায়। শুরুতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে। তবে এখন আর তেমন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না গার্থকে।




আম্পায়ার হওয়ার আগে গার্থ নিউজিল্যান্ডের পেশাদার গলফারদের সংস্থায় (প্রফেশনাল গলফারস অ্যাসোসিয়েশন) ১০ বছর প্রধান কার্যনির্বাহী হিসেবে কাজ করেছেন। ওই পেশায় থাকার সময়ই তিনি পর্নো তারকা হিসেবেও কাজ করতে শুরু করেন। তবে নিজের আসল নাম গোপন রেখেছিলেন।




ব্রিটেনের জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’ গার্থের আসল পরিচয় তুলে ধরে। স্টিভ পার্নেল হিসেবে পর্নো সিনেমায় কাজ করতে শুরু করেছিলেন গার্থ। একটি পর্নো ম্যাগাজিনের জন্য ফটোশুট করেছেন গার্থ। নিউজিল্যান্ডের একটি প্রাপ্তবয়স্কদের ম্যাগাজিনে প্রথমবার গার্থের আসল পরিচয় জানা যায়।




এর পরই হইচই পড়ে যায়।পর্নো সিনেমায় কাজ করার কথা জানাজানি হওয়ায় গলফ সংস্থা থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। প্রায় দশ বছর আগের কথা। তার পরই আম্পায়ারিং পেশায় চলে আসেন গার্থ।




মাহমুদউল্লাহর মধ্যে ধোনির ছায়া দেখতে পাচ্ছেন ইরফান পাঠান
বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মধ্যে সাবেক ভারত ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনির ছায়া খুঁজে পেলেন ইরফান পাঠান। তিন ম্যাচ টি- টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ রোববার হবে নাগপুরে। এর আগে এমন মন্তব্য করলেন সাবেক ভারতীয় পেসার।




প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচে যাচ্ছেতাইভাবে ভারতের কাছে হেরে যায় তারা। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রফি নির্ধারণী। এতে যারা জিতবে তারাই শিরোপায় চুমু আঁকবে।




নাগপুরের ম্যাচের বল গড়ানোর আগে বাংলাদেশ অধিনায়কের ভূয়সী প্রশংসা করে পাঠান বলেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে ম্যাচ জিতলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ক্যাপ্টেন হিসেবে নজর কেড়েছেন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ চলাকালীন তিনি যে ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো এনেছেন তা খুব কার্যকরী।




মাহমুদউল্লাহর এ ছোট পরিবর্তনগুলো দেখেই পাঠানের মনে পড়ে যাচ্ছে ধোনির কথা। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বের মধ্যে ধোনির ক্যাপ্টেন্সির মিল পাওয়া যাচ্ছে। পাওয়ার প্লের পর পার্টটাইম বোলারদের আক্রমণে আনতেন ধোনি। মাহমুদউল্লাহও একইভাবে খণ্ডকালীন বোলারদের ব্যবহার করছেন।