পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মানবজাতির শিরোমণি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিন।৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল ইসলামের শেষ নবী (সা.) আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন।৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মাত্র ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন সারা বিশ্বের মুসলমানরা।




এ দিনটি উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি পোস্টার করেছেন।পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘বিশ্বশান্তি, ন্যায় ও মানবকল্যাণের পথ প্রদর্শক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মদিবস। ঈদ-এ-মিলাদুন-নবী উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মুবারকবাদ।




ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নিয়ে মমতার এই পোস্টারটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।অনেকে তার উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন। ফেসবুকে আক্কেল মিয়া নামের একজন লিখেছেন, ‘ভালো উদ্যোগ…’। রেদওয়ান লস্কর তুহিন লিখেছেন, ‘হজের মৌসুমে কলকাতায় তৃণমূলের নেতারা অনেকগুলো তোরণ বানান হাজিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে।




মোস্তাফিজ-লিটনদের হয়রানি করা ঠিক নয়: মাহমুদউল্লাহ
তামিম-সাকিব না থাকায় ব্যাটিংয়ে লিটন দাস এবং সৌম্য সরকারে ভরসা রেখেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। আর দলের স্ট্রাইক বোলার ভাবা হচ্ছিল মোস্তাফিজুর রহমানকে। তবে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি তারা। সৌম্য একটু ভালো খেললেও তিন ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন লিটন-মোস্তাফিজ।




অনেকে দলে এ ত্রয়ীর থাকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ভিন্ন সুর বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কণ্ঠে। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটারদের খারাপ সময় আসে। আবার দুঃসময় পেছনে ফেলে এগিয়েও যায়। এ নিয়ে তাদের হয়রানি করা ঠিক নয়।




মাহমুদউল্লাহ বলেন, আমার মনে হয় না, তাদের সুযোগ দিয়ে ভুল করা হচ্ছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ক্রিকেটাররা খারাপ করলে সমর্থন দেয়া উচিত। কারো বাজে সময় গেলে তাদের পাশে দাঁড়ায় দল ও টিম ম্যানেজমেন্ট।




তিনি বলেন, প্রত্যেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারে পাঁচ ছয়টা ম্যাচ খারাপ যায়। আমরা মোস্তাফিজের কাছ থেকে অনেক প্রত্যাশা করি। সে একজন চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার। আমার মনে হয়, তাকে নিয়ে ভাবার সময় এখনো আসেনি। তার ফিরে আসা এক ম্যাচের ব্যাপার।লাল-সবুজ জার্সিধারীদের অধিনায়ক বলেন, সৌম্য-লিটনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তাদের সময় দিতে হবে। তারা একদিন অনেক ম্যাচ জেতাবে।




প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৮ উইকেটের বড় জয়ে সমতায় ফেরে ভারত। আর নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের ৩০ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা হয়েছেন দীপক চাহার।