গাজায় ইসরাইলি হানাদার বাহিনীর হা’মলায় একটি পরিবারের আট সদস্য নি’হত হয়েছেন।উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবু মালহাউস পরিবারের নিহত আট সদস্যের মধ্যে পাঁচটি শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।উত্তর গাজার ডের আল-বালাহে ইসরাইলি বিমান হা’মলায় এই ব’র্বর হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।ইসরাইলি সেনাবাহিনীর রেডিও বলছে, নি’হত পরিবারটির প্রধান ফিলিস্তিনি রকেট কমান্ডার ছিলেন। তবে অবৈধ রাষ্ট্রটির এ দাবি নিরপেক্ষভাবে কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।




ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।ইহুদিবাদী ইসরাইলি বিমান যখন তাদের বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে, তখন সবাই ঘুমিয়েছিলেন।তিনদিনের সংঘাতে গাজায় ইসলামিক জিহাদের এক শীর্ষ কমান্ডারসহ ৩৪ ফিলিস্তিনি নি’হত হয়েছেন। আ’হত হন চারশতাধিক।ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো দখলদার রাষ্ট্রটিতে ৪০০ রকেট নিক্ষেপ করেছে।




ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম ৯০ শতাংশ রকেট প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।এদিকে মিসরের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ইসলামিক জিহাদ ও ইসরাইল একটি অ’স্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছে।এতে গত কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের অবসান ঘটেছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সাড়ে ৫টা থেকে অস্ত্রবিরতি কার্যকর করা হয়েছে।




ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বুধবার হোয়াইট হাউজ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭৯ সালের নভেম্বর জারি করা ১২১৭০ নম্বর নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হল।এ আদেশে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং অর্থনীতির জন্য অসাধারণ হুমকি বলে আখ্যায়িত করা হয়। খবর প্রেস টিভি ও পার্স টুডের।




হোয়াইট হাউজ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক হয় নি। সে কারণে ১৯৭৯ সালের ১৪ নভেম্বর ইরানের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল তা ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বরর পরেও অব্যাহত থাকবে।রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নজিরবিহীনভাবে ক্ষমতা প্রদান করে যার আওতায় প্রেসিডেন্ট সম্পদ জব্দ, ন্যাশনাল গার্ড তলব এবং সামরিক কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করার ক্ষমতা লাভ করেন। রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন।




ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা যে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে নবায়ন করতে হয়; তা না হলে আইনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে ইরানের বিরুদ্ধে এ আইন জারি করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল করার ১০ দিন পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৪ নভেম্বর নির্বাহী আদেশে ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।