ইহুদিবাদী ইসরাইল যু’দ্ধবিরতি সংক্রান্ত দাবি মেনে নেয়ায় গাজা উপত্যকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হা’মলা বন্ধ করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ আন্দোলন।বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে দুই পক্ষই মিসরের মধ্যস্থতায় একটি অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়েছে।ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং জিহাদ আন্দোলনের মধ্যকার সংঘর্ষ বন্ধের ব্যাপারে মিসর যে উদ্যোগ নিয়েছিল তাতে জিহাদ আন্দোলন তিনটি শর্ত দিয়েছিল।




শর্তগুলো হলো- গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনিরা যে বি’ক্ষোভ-প্রতিবাদ করে আসছে তাতে ইসরাইল কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে না, সব ধরনের টার্গেট কিলিং বন্ধ এবং গাজা উপত্যকার উপরে তেল আবিব যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে তা শিথিল করতে হবে।অস্ত্রবিরতি ঘোষণার পর মর্গের বাইরে এবং জানাজায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য ফিলিস্তিনিরা শোক প্রকাশ করেন।




জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র মুসাব আল-ব্রাইম জানান, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের যোদ্ধাদের ওপর টার্গেটেড কিলিং এবং গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বন্ধের ব্যাপারে দুটি শর্ত মেনে নিয়েছে তেল আবিব।ইসরাইলি হানাদার বাহিনীর বিমান হামলায় গত তিন দিনে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।




মিসরীয় চেষ্টায় এই অস্ত্রবিরতি এসেছে। ইসলামিক জিহাদসহ ফিলিস্তিনি পক্ষগুলোও এতে সম্মতি দিয়েছে। এএফপিকে ইসলামিক জিহাদ সূত্রও এ খবর নিশ্চিত করেছে।ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবু মালহুসের পরিবারের ছয় সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।উত্তর গাজার দির আল-বালাহে তাদের বাড়িতে বিমান হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী।




ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বুধবার হোয়াইট হাউজ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭৯ সালের নভেম্বর জারি করা ১২১৭০ নম্বর নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হল।এ আদেশে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং অর্থনীতির জন্য অসাধারণ হুমকি বলে আখ্যায়িত করা হয়। খবর প্রেস টিভি ও পার্স টুডের।




হোয়াইট হাউজ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক হয় নি। সে কারণে ১৯৭৯ সালের ১৪ নভেম্বর ইরানের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল তা ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বরর পরেও অব্যাহত থাকবে।




রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নজিরবিহীনভাবে ক্ষমতা প্রদান করে যার আওতায় প্রেসিডেন্ট সম্পদ জব্দ, ন্যাশনাল গার্ড তলব এবং সামরিক কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করার ক্ষমতা লাভ করেন। রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন।




বিরুদ্ধে আমেরিকা যে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে নবায়ন করতে হয়; তা না হলে আইনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে ইরানের বিরুদ্ধে এ আইন জারি করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।




১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল করার ১০ দিন পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৪ নভেম্বর নির্বাহী আদেশে ইরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।